এ পাঁচ মাসে প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী তাদের পরিবারের কাছে অর্থ পাঠানোর জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখেছেন।
ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, এ অর্জন প্রমাণ করে প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বিশ্বব্যাপী এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর কাছে ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবা নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠেছে।
এদিকে রেমিট্যান্স প্রেরক ও সুবিধাভোগীদের জন্য বিশেষায়িত সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং প্রডাক্ট চালুর মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের রেমিট্যান্স ইকোসিস্টেমকে আরো শক্তিশালী করেছে। গ্রাহকরা ব্যাংকের সম্পূর্ণ ডিজিটাল অনবোর্ডিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’-এর মাধ্যমে সহজেই পরিচালনা করতে পারেন। এ বিশেষ অ্যাকাউন্টগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা—অ্যাকাউন্টে যত টাকাই থাকুক না কেন, গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট হারে মুনাফা পান, যা প্রতি মাসে দেয়া হয়।
নতুন রেমিট্যান্স করিডোরের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদ্যমান পার্টনারদের সঙ্গে উদ্ভাবনী হোস্ট-টু-হোস্ট প্রযুক্তিগত সংযোগ জোরদারের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক গন্তব্যগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। দেশজুড়ে ৩১০টি শাখা-উপশাখা এবং ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকটি প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
এ অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘এ মাইলফলক ব্যাংকের প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশীদের অবিচল আস্থার প্রতিফলন। অভিন্ন লক্ষ্যকে সামনে রেখে আস্থা, প্রযুক্তি এবং অংশীদারত্ব একসঙ্গে কাজ করলে কী অর্জন করা সম্ভব—এ সাফল্য তারই প্রমাণ। আমরা রেমিট্যান্স সেবাকে আরো দ্রুত, নিরাপদ ও সহজলভ্য করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’